ভাববাচ্যের উদাহরণ -
-
ক
আমি আর গেলাম না
-
খ
এবার মাছ ধরা যাক
-
গ
আম বোধ হয় পেকেছে
-
ঘ
কুকুর লোকটিকে কামড়াল
যে বাচ্যে ক্রিয়ার অর্থ প্রাধান্য ঘটে বা ক্রিয়ার ভাব ই প্রধান ভাবে বোঝায়, তাকে বলা হয় ভাববাচ্য। এখানে ক্রিয়া বিশেষ্য রূপ গ্রহণ করে বাক্যের কর্তা রূপ লাভ করে এবং অর্থের দিক থেকে প্রাধাণ্যপ্রাপ্ত হয়।
যেমন - - ১.. তার কখন যাওয়া হবে?
২.. কুবের কে আসতে হবে।
৩.. এবার মাছ ধরা যাক।
ভাববাচ্যের বৈশিষ্ট্য:
১.. কর্তায় র , রে, এর, কে বিভক্তি যুক্ত হয়।
২.. কর্তা উহ্য থাকতে পারে।
৩.. ক্রিয়া সাধারণত যৌগিক হয় আর সমাপিকা ক্রিয়া সাধারণত হ্ ধাতুর হয়।
৪.. কর্মপদ নেই, থাকলেও তা ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়।
ভাববাচ্য: যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। যে বাক্যের ক্রিয়া-বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে। যেমন: সেঁজুতির ঘুমানো হলো না। আমার খাওয়া হল না। আমার যাওয়া হলো না। কোথা থেকে আসা হলো।
ভাববাচ্যের বৈশিষ্ট্য:
ক. এ বাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয়।
খ. এ বাচ্য কেবল অকর্মক ক্রিয়া হইতে গঠিত হয়।
গ. এ বাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া বা তৃতীয়া বিভক্তি প্রযুক্ত হয়। যেমন: আমাকে এখন যেতে হবে। তোমার দ্বারা এ কাজ হবে না।
ঘ. কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়। যেমন: এ পথে চলা যায় না। এ বার ট্রেনে ওঠা যাক। কোথা থেকে আসা হচ্ছে?
ঙ. মূল ক্রিয়ার সাথে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাব বাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়। যেমন: এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না। এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
Related Question
View All'আমার যাওয়া হবে না।'- এটি কোন বাচ্য?
-
ক
ভাববাচ্য
-
খ
কর্তৃবাচ্য
-
গ
কর্মবাচ্য
-
ঘ
কর্মকর্তৃবাচ্য
-
ক
আমি আর গেলাম না
-
খ
এবার মাছ ধরা যাক
-
গ
আম বোধ হয় পেঁকেছে
-
ঘ
কুকুর লোকটিকে কামড়ালো
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!